অসাধারন একটা মুভি গ্রুপ। প্রায় সব ইউজাররা একটিভ। নিয়মিত তারা বিভিন্ন মুভি শেয়ার করে হেল্প করছে পাশাপাশি হেল্প নিচ্ছে। চলছে আলোচনা। চলছে তর্ক। সবাই গ্রুপের নিয়ম মেনে গ্রুপ্টাকে নিজের মতো ভালোবেসেছে। যা আমাদের যারা মুভি দেখি তাদের জন্য কতো প্রয়জনিয় তা বলার বাইরে। আপনি চাইলেই এই গ্রুপের সদস্য হতে পারেন। আপনিও আপনার পছন্দের মুভিটি শেয়ার করতে পারেন। জেনে নিতে পারেন অন্যদের ভালোলাগার মুভি। আলোচনা করতে পারেন।চ শুধু এক্টিভ থাকার চেস্টা করবেন।গ্রুপের নিয়মকানুন মেনে চলুন। মুভি লাভার এখানে কিল্ক করে আমাদের প্রিয় গ্রুপের সদস্য হয়ে যান
আমার কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আমার কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঈশ্বর মশাই ভালো আছেনতো- মিনি কবিতা

এইযে শুনছো...।
দক্ষিনের জানালাটা খোলোতো।
গলা ফাটিয়ে একটা চিৎকার দেই।
না না দক্ষিন না পশ্চিমের জানলা খোল।
ঈশ্বর মশাই আবার ওদিকটাতে বাস করেন।
...খুলে লাভ।
গলা ফাটিয়ে চিতকার দিব।
বলবো ঈশ্বর মশাই ভালো আছেনতো

আয় মা আয় তোর চুল বেধে দেই - মিনি কবিতা

আয় মা আয় তোর চুল বেধে দেই।
পায়ে আলতা দিয়ে দিব।
হাতে মেহেদি দিয়ে দিব।
আমার সোনার লকেট তোকে দিয়ে দিব।
তোকে লাল শড়ি দিব।
পরীর মতো সাজাবো তোমায়।

SMILE FOR YOU

Smiling is infectious; you catch it like the flu,
When someone smiled at me today, I started smiling too.
I passed around the corner and someone saw my grin
When he smiled I realized I'd passed it on to him.
I thought about that smile then I realized its worth,
A single smile, just like mine could travel round the earth.
So, if you feel a smile begin, don't leave it undetected
Let's start an epidemic quick, and get the world infected!

আমায় যেতে দিওনা-

আমায় যেতে দিওনা।
আমি তোমার বুকে মিশে থাকতে চাই।
রাত,দুপুর কাপানো তোমার হাসি শুনতে চাই।
মাতাল করা চুলের গন্ধে মিলেমিশে একাকার হতে চাই।

আমায় যেতে দিওনা।
আমি আরও বিকেল দেখতে চাই।
রাতের পর রাত জাগতে চাই।
তোমার কোলে মাথা রেখে তারা গুনতে চাই।

অনুভব করো আমায়

চোখ মেলো................
খানিকক্ষন বইয়ের পাতা ভুলে যাও।
হাত বাড়াও................
চায়ের কাপে, ধোয়ার ওড়াঊড়ি দেখতে দেখতে ওকে শেষ করে দাও
আকাশ দেখো.........
মেঘগুলো কেমন ধর্ষণ হচ্ছে চাঁদ সুর্যের কাছে।
জানলা খোলো,
যৌনতার দান করা বির্যে কেমন ভেজা প্রকৃতি।
রাস্তায় নামো.।.।.।.।.।.।.।.।.।
দেখ মোরের কুকুরগুলো কেমন লালসা নিয়ে তাকায়।
রিক্সায় ওঠো............।
বাতাসকে মিশে যেতে দাও তোমার কামুক বুকে।
নেমে যাও খোলা প্রান্তরে বুক ভরে অনুভব করো আমায়

কিছুদিন আগেও ছিলাম শিশুর মতন তুমি আসাতে আমার এ পরির্বতন।

কিছুদিন আগেও ছিলাম শিশুর মতন
তুমি আসাতে আমার এ পরির্বতন।
স্কুলের প্রান্তর যেটা আগে ছিল শুধু একটা খেলার মাঠ
এখন সেখানে কতো সৃতি,
মোবাইল ফোন যেটা ছিল ভিডিও গেম
এখন সে ছাড়া যেন চলছেনা।
আগে বকা খেলেই খারাপ লাগতো,
এখন অপেক্ষায় থাকি কখন তুমি বকবে।
আগে কেউ জেদ করলে পাত্তাই দিতাম না।
এখন যে থাকতেই পারিনা।
বিয়ে বাড়ি মানে আনন্দ, রং মাখামাখি,
এখন বুঝি বিয়ে কি জিনিস।
অস্ত্র দেখেও ভয় পেতাম না।
বাসর রাতে সে কি কাপাকাপি।
খাওয়া ও ঘুম আর ভালবাসা এটাই সর্বস শান্তি।
সবথেকে বড় শান্তি যে অন্ধকারে তুমি আর আমি।
আগে বুঝতাম না মা জাতি কি জিনিস
এখন বুঝি কারন আমি বাবা।
বুড়ো হলে মানুস যেন ছোট হয়ে যায়
আমার কাছে সে এক রহস্য
তোমার হাত ধরে রোদ পোহাতে পোহাতে
সে কথা খুব মনে পড়ছে।
আগে ভাবতাম মৃত্যু যেন তাড়াতাড়ি হয়, তাহলে কস্ট কম,
তোমার চোখে পানি দেখে যেতে ইচ্ছে করছে না।

অঘটন নয়, ইতিহাসের নাম বাংলাদেশ


যারা বাংলাদেশ কে ভালবাসেনা তাদের ভাস্যটা একবার শুনুন।
৭১ সেতো একটা অঘটন। কোনোভাবে পার পেয়ে গিয়েছিলে। যুদ্ধের কোনো নিয়মী তোমরা মানোনি।
আম্বুশ করেছো তোমরা। ধর্মকে অবহেলা করেছো। তোমাদের যুদ্ধ ছিল  অসামাজিক।
 শুনেছেন। বলেন কেমন লাগে?
আরে গাধা নিয়ম প্রথম কারা ভেঙ্গে ছিল?
ক্রিকেট জিতলাম আমরা, ওরা বলে এটাও নাকি অঘটন।
বললাম আমারা বাঘের বাচ্চা, আমরা সব পারি।
বলে “ ও তাই নাকি।তোমরা বাঘের বাচ্চা। আসলে ঘটনাটা কি,
বাঘ তোমাদের মায়ের কাছে এসেছিল। নাকি তোমাদের মা বাঘের কাছে গিয়েছিল”
বল তোরা। যা ইচ্ছা হয় বল। আমারা বাঘ, আমাদের কিছু আসেনা কিছু যায়ওনা।
যে যাই বলুক আমরা থামবনা।
কবিতাঃ
শেরে বাংলার বাঘ আমারা
বুকে আছে প্রত্যয়
এগিয়ে যাব বাঘের মতো
আমারা করবোই জয়।
সম্ভাবনার আছে দুয়ার খোলা
মেলোনা ডানা তুমি দেখাও দোলা।
বাতাস আছে তোমার সাথে
সিন্ধভাবে যাবে ছুয়ে।
ঘাম যেন তোর আঝোর প্লাবন
আবুঝ বাংগালির অশান্ত মন।
এখন সময় গর্জে ওঠার
নিজিকে এবার চিনিয়ে দেবার।
সপ্ন গড়ো অসম্ভব আশায়
আমরা আছি অপেক্ষায়

শেষবারের মতো বলছি-কবিতা

উদ্দেশ্য যারা স্বাধিনতার ৪০ বছর পরও যারা দেশের ভালো চায়না।
আমি একজন আর্দশ পিতা।
তোমরা আমায় চিনবেনা।
আমার ছেলেকে ভালভাবে বাচতে দাও।
শেষবারের মত বলছি,
না হলে কিন্তু ফিরে যাব ৭১রে


আমি একজন ছাত্র।

তোমরা আমায় চিনবেনা।
শিক্ষাঙ্গন থেকে নেশা সরাও,
রাজনিতি দূর করো।
কিছুদিন সময় দিলাম,
না হলে কিন্তু ফিরে যাব ৭১রে।

আমি একটা ভাল মেয়ে।

আমার প্রমিক্কে ভালভাবে থাকতে দাও
তাকে পড়াশুনা করতে দাও,
মা জাতি বলেই বলছি,
সেবার কিছু বলিনি,এবার কিন্তু ছাড়বোনা
আবার ফিরে যাবো ৭১রে 

বিঃদ্যঃ  কবিতাটা প্রথম সামু ব্লগে লিখেছিলাম। বিজয়ের মাসে।
ভাবিনি এতোটা অনুপ্ররনা পাবো। সেখান থেকে কিছু মন্তব্য নিচে দেওয়া হলঃ
রাইসুল সাগর বলেছেন: স্বাধিনতার ৪০ বছর পরও যারা দেশের ভালো চায়না। তাদের বলছি, আমদের পূর্ব-পুরুষরা পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে গড়েছিলেন মহান স্বাধীনতার ইতিহাস ৭১...আমরা তাদেরই সন্তান..মনে রেখ এখনও সময় আছে, সঠিক পথে ফিরে এসো, না হয় আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে ঘোষনা করব অরেক ৭১...এর।

দিপ ভাই অনেক অনেক ভালো লাগা রেখে গেলাম কাব্যে..। আর আপনার জন্য শুভকামনা...। একজন মুক্তিযুদ্ধার সন্তান হিসেবে আর আর একটা কথা বলে যাই...। যারা দেশের ভালো চায়না তাদের বিরুদ্ধে যেকোন যুদ্ধে আমি আছি আপনার পাশে...আশা করি আমার সাথে আপনাকেও পাবো..। ভালো থাকুন সব সময়..